মূল অংশে যান
রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬ ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ Sunday, 4 October 2026
নোটিশ

ভৈরবে প্রবাসী যুবকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশ: ৩ বার পঠিত
শেয়ারWhatsAppTelegramLinkedIn

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার শ্রীনগর গ্রামের ফারজানা আক্তার মিম (১৭) নামের এক তরুণীর আত্মহত্যার ঘটনায় ইতালি প্রবাসী যুবক ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে ভৈরব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী দুলাল মিয়া ও তার পরিবার এই অভিযোগ তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন প্রবাসী পাভেল মিয়ার বাবা দুলাল মিয়া, তার চাচা হাসান মিয়া এবং ঘটক মো. খোকন মিয়া।

​সংবাদ সম্মেলনে ঘটক খোকন মিয়া জানান, ৪-৫ মাস আগে দুলাল মিয়ার ইতালি প্রবাসী ছেলে পাভেল মিয়ার সাথে জীবন মিয়ার কন্যা ফারজানা আক্তার মিমের বিয়ের কথাবার্তা পাকাপাকি হয়। উভয় পক্ষের সম্মতিতে আংটি পরানো ও খাওয়া-দাওয়ার মাধ্যমে প্রাথমিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। যোগাযোগের সুবিধার্থে ছেলের পক্ষ থেকে মিমকে একটি মোবাইল ফোনও দেওয়া দেওয়া হয়েছিল। ​সবকিছু ঠিকঠাক চললেও কিছুদিন পর মেয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা এই বিয়ে আর করাবেন না। কারণ জানতে চাইলে মেয়ের বাবা জীবন মিয়া জানান, ছেলের মায়ের সাথে ফোনে কথাকাটাকাটি হওয়ার কারণে তারা বিয়ে দিতে রাজি নন। ঘটক খোকন উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা করে ঘরোয়াভাবে আংটি, মোবাইল ও যাতায়াত বাবদ ২৫ হাজার টাকা লেনদেন বুঝিয়ে দিয়ে ঝামেলার সুরাহা করেন। এই মীমাংসার ১০-১২ দিন পর গত ২৬ আগস্ট রাতে নিজ ঘরে ইঁদুরের বিষ খেলে পরদিন ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু মিমের।

সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসী পাভেলের বাবা দুলাল মিয়া বলেন, মেয়ের পরিবার নিজেই তো বিয়ে ভেঙে দিয়েছিল। আমরা তো কোনো জোরজুলুম করিনি। মীমাংসার মাধ্যমে সব বিষয় চুকে যাওয়ার ১০-১২ দিন পর হঠাৎ জানতে পারি মেয়ের বাবা আমাদের প্রবাসী ছেলেসহ পরিবারের ৪ জনের নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছেন। এখন তারা আমাদের কাছে মামলা তুলে নেওয়ার শর্তে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছে। ​তিনি আরও বলেন, ছেলের বিরুদ্ধে নগ্ন ছবি চাওয়ার যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। আমার ছেলে সুদূর ইতালি থেকে বৈধভাবে জীবিকা নির্বাহ করছে। একটি অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আমাদের পরিবারকে সামাজিক ও আর্থিকভাবে হয়রানি করতেই এই মিথ্যা মামলা সাজানো হয়েছে।

​সংবাদ সম্মেলন থেকে ভুক্তভোগী দুলাল মিয়া ও তার পরিবার এই হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দ্রুত প্রত্যাহার এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানান।

শেয়ারWhatsAppTelegramLinkedIn

এ সম্পর্কিত আরও খবর