শাহিন আলম, ভৈরব, কিশোরগঞ্জ
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আরমান হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, সরকারি ভাতা বিতরণে অনিয়ম, গ্রাম পুলিশের কাছ থেকে অর্থ আদায় এবং সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ এনে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে ইতোমধ্যে তদন্তও সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সময়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সরকারি সম্মানী ভাতা বিতরণের সময় “উপর মহলে দিতে হবে” বলে জনপ্রতি ৫০০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে। এছাড়া ভৈরব উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম পুলিশের সদস্যদের বেতন-ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রেও ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হয়রানি ও অসৌজন্যমূলক আচরণের শিকার হতে হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
অভিযোগপত্রে আরও দাবি করা হয়েছে, কিছু নারী সেবাগ্রহীতার সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ এবং দাপ্তরিক ক্ষমতার অপব্যবহারের ঘটনাও ঘটেছে। এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।
শিমুলকান্দি ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম বলেন,
“তার বিভিন্ন অনিয়ম দেখে আমি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। আমি চাই, বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. আরমান হোসেন বলেন,
“আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, সে বিষয়ে আজ তদন্ত হয়েছে। আমি যদি অভিযুক্ত প্রমাণিত হই, তাহলে আমার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
অন্যদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম মামুনুর রশিদ বলেন,
“বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন। তাই এ মুহূর্তে আমার বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ নেই।”
![]()