নিজস্ব প্রতিবেদক:-
কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কমলপুর ঈদগাহ ও কবরস্থানসংলগ্ন এলাকায় প্রায় ৯ ফুট গভীর ফাউন্ডেশনের ওপর সাড়ে ৮ তলা বহুতল ভবন নির্মাণ নিয়ে অনুমোদিত নকশা, ফাউন্ডেশনের সক্ষমতা ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, ভবনটির অনুমোদিত তলার সংখ্যা ও বাস্তব নির্মাণের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভবনটির মালিক কুলিয়ারচর উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের কুয়েতপ্রবাসী মো. আমান মিয়া।
নির্মাণকাজের কন্ট্রাক্টর সাইফুল ইসলাম বলেন, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ অনুযায়ী ভবনটির জন্য প্রায় ৯ ফুট গভীর ফাউন্ডেশন করা হয়েছে। ভবনটি সাড়ে ৮ তলা ও লিফটসহ নির্মাণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে ভবনটির চারপাশে প্রয়োজনীয় সেটব্যাক রাখা হয়েছে কি না, জরুরি সিঁড়ি ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথ আছে কি না—তা নিয়েও স্থানীয়দের প্রশ্ন রয়েছে।
সম্প্রতি ভৈরবের নিউ টাউন এলাকায় ৭ তলার অনুমোদন নিয়ে ৮ তলা ভবন নির্মাণের অভিযোগে পৌরসভা থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার বিষয়টি সামনে আসায় কমলপুরের ভবনটি নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ওই ভবনে প্রায় ৯০ ফুট পাইলিং করা হয়েছে বলে মালিক দাবি করেছেন।
তবে প্রকৌশলগতভাবে কোনো ভবন নিরাপদ কি না, তা শুধু ফাউন্ডেশনের গভীরতা দিয়ে নির্ধারণ করা যায় না। মাটির ধরন, সয়েল টেস্ট, স্ট্রাকচারাল ডিজাইন ও অনুমোদিত নকশা যাচাই প্রয়োজন।
ভবনটির মালিক বর্তমানে কুয়েতে থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা ভবনটির অনুমোদিত নকশা, সয়েল টেস্ট, ফাউন্ডেশন, সেটব্যাক ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
![]()